Saturday, 11 July 2015

যাকাতুল ফিতরের সঠিক বিধান জেনে নিন : এক ‘সা’ এর পরিমাণ হচ্ছে, দুই কেজি চল্লিশ গ্রাম ভালো গম


যাকাতুল ফিতরের সঠিক বিধান জেনে নিন-
যাকাতুল ফিতর ফরয। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান শেষে ঈদুল ফিতরের সময় তা ফরয করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোলাম, স্বাধীন, পুরুষ, নারী, ছোট-বড় সকল মুসলিমের উপর সদকাতুল ফিতর ফরয করেছেন”। (বুখারি-১৫১১)
সদকাতুল ফিতরের পরিমাণ এক ‘সা’, দেশের প্রচলিত খাদ্য থেকে তা পরিশোধ করতে হবে। আবু সায়িদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “আমরা ঈদুল ফিতরের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এক ‘সা’ খাদ্য প্রদান করতাম, তখন আমাদের খাদ্য ছিল গম, কিশমিশ, পনির ও খেজুর”। (বুখারি-১৫১০)
অতএব টাকা, বিছানা, পোশাক ও জীব জন্তুর খাদ্য দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় হবে না, কারণ এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশের বিপরীত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 
“যে এমন আমল করল, যার উপর আমাদের আদর্শ নেই তা পরিত্যক্ত”। (বুখারি-২০,২৬৯৭, মুসলিম-১৭১৮)
এক ‘সা’ এর পরিমাণ হচ্ছে, দুই কেজি চল্লিশ গ্রাম ভালো গম। এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ‘সা’, যার দ্বারা তিনি সদকাতুল ফিতর নির্ধারণ করেছেন।(চাউল বা অন্য খাদ্যের ক্ষেত্রে আড়াই কেজি সঠিক বলেছেন উলামাগন) 
ঈদের সালাতের আগে সদকাতুল ফিতর বের করা ওয়াজিব, তবে উত্তম হচ্ছে ঈদের দিন সালাতের পূর্বে সদকাতুল ফিতর আদায় করা। ঈদের একদিন বা দু’দিন পূর্বেও আদায় করা বৈধ। সালাতের পরে দিলে আদায় হবে না। আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম “বেহুদা ও অশ্লীলতা থেকে সওমকে পবিত্র করা ও মিসকিনদের খাদ্য স্বরূপ সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করেছেন। যে তা সালাতের পূর্বে আদায় করল, সেটাই গ্রহণযোগ্য সদকা, আর যে তা সালাতের পরে আদায় করল, সেটা অন্যান্য সদকার ন্যায় সাধারণ সদকা”। (আবু দাউদ-১৬০৯, ইবন মাজাহ-১৮২৭)
আর যদি কেউ ঈদের সালাত শেষ হয়ে যাওয়ার পর ঈদ সম্পর্কে জানতে পারে, অথবা সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার সময় মরুভূমিতে থাকে, অথবা এমন জায়গায় থাকে যেখানে সদকা গ্রহণ করার কেউ নেই, তাহলে সুযোগ মত আদায় করলেই হবে। আল্লাহ ভাল জানেন।
(সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত বিষয়ে কয়েকটি অধ্যায়-শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ)

সুতরাং ছোট-বড় প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আড়াই কেজি করে চাউল ফেতরা হিসাবে দিতে হবে যেহেতু হাদিসে বলা হয়েছে যে, সাহাবা (রাঃ)-দের খাদ্য ছিল গম, কিশমিশ, পনির ও খেজুর এবং তারা সেই খাদ্য থেকেই ফেতরা দিতেন আর এখন আমাদের খাদ্য হচ্ছে চাউল সুতরাং চাউল দিয়েই অথবা হাদিসে বর্ণিত বাকি খাদ্য দিয়েই ফেতরা দিতে হবে, টাঁকা দিয়ে দিলে ফেতরা আদায় হবে না, এটা রাসুলের সুন্নাহ বহির্ভূত। আর ফেতরার জন্য আপনাকে যাকাতের পরিমাণ টাঁকা থাকতে হবে এমন নয় বরং ঈদের দিনে এবং রাতে আপনাদের পরিবারের খাবার বেবস্থা থাকার পর বাকী যা থাকবে তা থেকেই ফেতরা দিতে হবে সুতরাং সকলকেই ফেতরা দিতে হবে এবং ফেতরা শুধু ফকীর মিসকিনরাই গ্রহণ করবে।

Tuesday, 7 July 2015

যাকাতের হকদার কারা বা কাদেরকে যাকাত দিবেন



যাকাতের হকদার কারা বা কাদেরকে যাকাত দিবেন-
যাকাতের খাত ৮টি: 
১. ফকির: যাদের নিকট তাদের প্রয়োজনের অর্ধেকও নেই। বছরের ছয় মাস যে নিজের ও পরিবারের খরচের বহনে অক্ষম সেই ফকির। তার ও তার পরিবারের এক বছরের প্রয়োজন মোতাবেক তাকে যাকাত দেয়া হবে।
২. মিসকিন: যাদের নিকট তাদের প্রয়োজনের অর্ধেক বা তার চেয়ে অধিক রয়েছে, কিন্তু পূর্ণ বছরের খোরাক নেই, এদেরকে যাকাত থেকে অবশিষ্ট বছরের খাদ্য দেয়া যাবে। 
যদি কোন ব্যক্তির নিকট নগদ অর্থ নেই, কিন্তু তার অন্য উৎস, অথবা চাকুরী অথবা সামর্থ রয়েছে, যা তার প্রয়োজন পূরণে যথেষ্ট, তাকে যাকাতের অর্থ দেয়া যাবে না। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“ধনী ও কর্মঠ ব্যক্তিদের জন্য যাকাতে কোন অংশ নেই”। (আবু দাউদ-১৬৩৩, নাসায়ি-২৫৯৮)
৩. যাকাত উসুলে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ: যাদেরকে সরকার যাকাত উত্তোলন, যাকাত বিতরণ ও যাকাত সংরক্ষণের জন্য নিয়োগ দেয়, তাদেরকে তাদের কর্ম মোতাবেক যাকাত থেকে পারিশ্রমিক দেয়া যাবে, যদিও তারা ধনী হয়।
৪. ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য বিশেষ ব্যক্তিবর্গ: যারা কোন সম্প্রদায়ের সরদার, যাদের ঈমান দুর্বল, তাদের ঈমানের দৃঢ়তা বৃদ্ধির জন্য যাকাত থেকে তাদেরকে দেয়া যাবে, যেন তারা ইসলামের প্রতি আহ্বানকারী ও তার আদর্শ ব্যক্তিরূপে গড়ে উঠে। 
৫. গর্দান মুক্ত করা: অর্থাৎ যাকাতের অর্থে গোলাম খরিদ করা ও আযাদ করা, চুক্তিবদ্ধদের মুক্ত হতে সাহায্য করা এবং মুসলিম বন্দীদের মুক্ত করার জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয় করা।
৬. ঋণগ্রস্ত: যাদের নিকট তাদের ঋণ পরিশোধ করার অর্থ নেই, তাদের ঋণ পরিমাণ অর্থ কম/বেশী যাকাত থেকে দেয়া যাবে, যদিও তাদের খাদ্যের অভাব না থাকে। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যদি এমন হয়, যার নিজের ও পরিবারের খাদ্যের ব্যবস্থা আছে, কিন্তু ঋণ পরিশোধ করার সামর্থ তার নেই, তাকে ঋণ পরিমাণ যাকাত দেয়া যাবে। 
৭. ফি সাবিলিল্লাহ বা আল্লাহর রাস্তা: অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য যাকাত দেয়া যাবে। অতএব মুজাহিদদেরকে তাদের প্রয়োজন মোতাবেক যাকাতের অর্থ দেয়া জায়েয। যাকাতের অর্থ দিয়ে জিহাদের অস্ত্র খরিদ করাও বৈধ। আল্লাহর রাস্তার একটি হচ্ছে, শর‘য়ী ইলম। সুতরাং শর‘য়ী জ্ঞান অন্বেষণকারীকে তার প্রয়োজন মোতাবেক কিতাব ইত্যাদি ক্রয় করার জন্য যাকাতের অর্থ দেয়া বৈধ, তবে সে সচ্ছল হলে ভিন্ন কথা।
৮. ইবন সাবিল: অর্থাৎ মুসাফির, যার পথ খরচ শেষ হয়ে গেছে, তাকে যাকাত থেকে বাড়িতে পৌঁছার অর্থ দেয়া যাবে।
এরা সবাই যাকাতের খাত ও হকদার। আল্লাহ স্বয়ং কুরআনে এদের উল্লেখ করেছেন। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরয, যা তিনি স্বীয় জ্ঞান ও প্রজ্ঞা থেকে তার বান্দাদের উপর ফরয করেছেন।
এ খাতসমূহ ব্যতীত অন্য কোন খাতে যাকাত ব্যয় করা যাবে না, যেমন, মসজিদ নির্মাণ অথবা রাস্তাঘাট তৈরী বা মেরামত; কেননা আল্লাহ যাকাতের খাত সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। নির্দিষ্ট করার পর তা আর অনির্দিষ্ট খাতে দেয়া যায় না।(শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সলেহ আল উসাইমিন (রঃ)- সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত বিষয়ে কয়েকটি অধ্যায়)

Wednesday, 1 July 2015

এবারের 'ফিতরা' কত ?



এবারের 'ফিতরা' কত ?
৬০ টাকা থেকে ১৬৬০ টাকা নাকি অন্য কিছু ! 
প্রতিবারই রামাদান এলে মানুষের প্রশ্ন থাকে এবারের ফিতরা কত ? অথচ আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) ১৪০০ বছর আগেই এর পরিমান নির্ধারণ করে গেছেন ! যারা সুন্নাহর অনুসরন করে ফিতরা আদায় করে থাকেন তাঁরা কখনো উক্ত প্রশ্নটি তুলেন না যে এবারের ফিতরা কত ! যারা সুন্নাহর অনুসরন বাদ দিয়ে দ্রব্য মূল্য দিয়ে তথা টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করেন তারাই মূলত প্রতিবছর এই সময় এলেই প্রশ্ন করেন এবারের ফিতরা কত !
ছাদাক্বাতুল ফিতর বা আমরা যেটিকে ফিতরা বলি তা, মুসলমান নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, সকলের জন্য আদায় করা ফরয। এ মর্মে হাদীছে এসেছে,
ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় উম্মতের ক্রীতদাস ও স্বাধীন, নারী ও পুরুষ, ছোট ও বড় সকলের উপর মাথা পিছু এক ছা‘ পরিমাণ খেজুর বা যব যাকাতুল ফিৎর হিসাবে ফরয করেছেন এবং তা ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পূর্বেই আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন’।
{ বুখারী-মুসলিম, মিশকাত হা/১৮১৫}
উক্ত হাদিছ দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, ফিতরা আদায় করতে হবে খাদ্যদ্রব্য দ্বারা, খাদ্যের মূল্য বা টাকা পয়সা নগত অর্থ ফিতরা গ্রহণকারীর হাতে সরাসরি উঠিয়ে দিয়ে নয় ! আর তা আদায় করতে হবে প্রত্যেকের জন্য মাথাপিছু এক ছা‘ খাদ্যশস্য , ‘ছা’ হচ্ছে তৎকালীন সময়ের এক ধরনের ওযন করার পাত্র। নবী করীম (ছাঃ)-এর যুগের ছা‘ হিসাবে এক ছা‘-তে সবচেয়ে ভাল গম ২ কেজি ৪০ গ্রাম হয়। বিভিন্ন ফসলের ছা‘ ওযন হিসাবে বিভিন্ন হয়। এক ছা‘ চাউল প্রায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম হয়। তবে ওযন হিসাবে এক ছা‘ গম, যব, ভুট্টা, খেজুর ইত্যাদি ২ কেজি ২২৫ গ্রামের বেশী এদিক সেদিক হয়ে থাকে। সতর্কতা হিসেবে অনেকে ৩ কেজি নির্ধারন করতে বলেন।
প্রত্যেক দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ফিৎরা আদায় করবে। মানে যে দেশের মানুষের যেটা প্রধান খাদ্যদ্রব্য সেটা দিয়েই ফিতরা আদায় করবে। আমাদের এই কৃষি প্রধান দেশে প্রধান খাদ্য (طعام) চাউল। সেকারণ চাউল দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় করাই উত্তম। খাদ্যশস্যের মূল্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর প্রদানের স্বপক্ষে কুরআন-হাদীছে স্পষ্ট কোন দলীল নেই। সুতরাং মুদ্রা দিয়ে ফিৎরা আদায় করা সুন্নাহর বিরোধী কাজ। 
খাদ্যশস্য ব্যতীত অর্থ কিংবা দীনার-দিরহাম দিয়ে ফিৎরা আদায় করেছেন মর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের কোন আমল পাওয়া যায় না। তাছাড়াও রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পূর্ব যুগ হ’তেই মক্কা-মদীনায় দিরহাম-দীনার প্রভৃতি মুদ্রার প্রচলন ছিল। কিন্তু তিনি এক ছা‘ খাদ্যশস্যের মূল্য হিসাবে দিরহাম প্রদানের নির্দেশ দেননি। বরং খাদ্যশস্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় ওয়াজিব করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ !!! সৌদি আরাবিয়াতে এই সুন্নাতি আমলের প্রতি লক্ষ্য রেখে সৌদি নাগরিকেরা এখনো খাদ্যদ্রব্য দিয়েই ফিতরা দিয়ে থাকে, রামাদানের শেষের দিকে দেখা যায় প্রতিটি রাস্তার মোড়ে মার্কেটের মোড়ে মোড়ে ফিতরার চাউলের ৫/১০/২০ কেজি বস্তা স্তূপ করে রাখা হয়, ফিতরা আদায়কারী ব্যক্তিরা তা এসে কিনে নিয়ে যায়। — at Dammam City, KINGDOM OF SAUDI ARABIA.

 এর পরিমান নির্ধারণ করে গেছেন ! যারা সুন্নাহর অনুসরন করে ফিতরা আদায় করে থাকেন তাঁরা কখনো উক্ত প্রশ্নটি তুলেন না যে এবারের ফিতরা কত ! যারা সুন্নাহর অনুসরন বাদ দিয়ে দ্রব্য মূল্য দিয়ে তথা টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করেন তারাই মূলত প্রতিবছর এই সময় এলেই প্রশ্ন করেন এবারের ফিতরা কত ! 
ছাদাক্বাতুল ফিতর বা আমরা যেটিকে ফিতরা বলি তা, মুসলমান নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, সকলের জন্য আদায় করা ফরয। এ মর্মে হাদীছে এসেছে,
ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় উম্মতের ক্রীতদাস ও স্বাধীন, নারী ও পুরুষ, ছোট ও বড় সকলের উপর মাথা পিছু এক ছা‘ পরিমাণ খেজুর বা যব যাকাতুল ফিৎর হিসাবে ফরয করেছেন এবং তা ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পূর্বেই আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন’।
{ বুখারী-মুসলিম, মিশকাত হা/১৮১৫}
উক্ত হাদিছ দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, ফিতরা আদায় করতে হবে খাদ্যদ্রব্য দ্বারা, খাদ্যের মূল্য বা টাকা পয়সা নগত অর্থ ফিতরা গ্রহণকারীর হাতে সরাসরি উঠিয়ে দিয়ে নয় ! আর তা আদায় করতে হবে প্রত্যেকের জন্য মাথাপিছু এক ছা‘ খাদ্যশস্য , ‘ছা’ হচ্ছে তৎকালীন সময়ের এক ধরনের ওযন করার পাত্র। নবী করীম (ছাঃ)-এর যুগের ছা‘ হিসাবে এক ছা‘-তে সবচেয়ে ভাল গম ২ কেজি ৪০ গ্রাম হয়। বিভিন্ন ফসলের ছা‘ ওযন হিসাবে বিভিন্ন হয়। এক ছা‘ চাউল প্রায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম হয়। তবে ওযন হিসাবে এক ছা‘ গম, যব, ভুট্টা, খেজুর ইত্যাদি ২ কেজি ২২৫ গ্রামের বেশী এদিক সেদিক হয়ে থাকে। সতর্কতা হিসেবে অনেকে ৩ কেজি নির্ধারন করতে বলেন।
প্রত্যেক দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ফিৎরা আদায় করবে। মানে যে দেশের মানুষের যেটা প্রধান খাদ্যদ্রব্য সেটা দিয়েই ফিতরা আদায় করবে। আমাদের এই কৃষি প্রধান দেশে প্রধান খাদ্য (طعام) চাউল। সেকারণ চাউল দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় করাই উত্তম। খাদ্যশস্যের মূল্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর প্রদানের স্বপক্ষে কুরআন-হাদীছে স্পষ্ট কোন দলীল নেই। সুতরাং মুদ্রা দিয়ে ফিৎরা আদায় করা সুন্নাহর বিরোধী কাজ। 
খাদ্যশস্য ব্যতীত অর্থ কিংবা দীনার-দিরহাম দিয়ে ফিৎরা আদায় করেছেন মর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের কোন আমল পাওয়া যায় না। তাছাড়াও রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পূর্ব যুগ হ’তেই মক্কা-মদীনায় দিরহাম-দীনার প্রভৃতি মুদ্রার প্রচলন ছিল। কিন্তু তিনি এক ছা‘ খাদ্যশস্যের মূল্য হিসাবে দিরহাম প্রদানের নির্দেশ দেননি। বরং খাদ্যশস্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় ওয়াজিব করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ !!! সৌদি আরাবিয়াতে এই সুন্নাতি আমলের প্রতি লক্ষ্য রেখে সৌদি নাগরিকেরা এখনো খাদ্যদ্রব্য দিয়েই ফিতরা দিয়ে থাকে, রামাদানের শেষের দিকে দেখা যায় প্রতিটি রাস্তার মোড়ে মার্কেটের মোড়ে মোড়ে ফিতরার চাউলের ৫/১০/২০ কেজি বস্তা স্তূপ করে রাখা হয়, ফিতরা আদায়কারী ব্যক্তিরা তা এসে কিনে নিয়ে যায়।
Like · Comment · 




বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইফতারের আয়োজন টি হয়ে থাকে সাউদি আরাবের মদিনার "মসজিদে নববী" বা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর মাসজিদে! 
প্রায় ১২ হাজার মিটার জুড়ে এর দস্তরখানা বিছানো হয়ে থাকে!
এক সাথে প্রতিদিন প্রায় সাড়া বিশ্বের থেকে আগত আনুমানিক ৩ লক্ষ মানুষ ইফতার করতে পারে।
এতে প্রতিদিন সাউদি সরকারের প্রায় ১ মিলিয়ন রিয়াল খরচ হয়ে থাকে যা বাংলা টাকায় ২ কোটি টাকার উপরে! এই ইফতারের মধ্যে থাকে ১ লাখ ৩০ হাজার লিটারের জমজমেরপানি, ৫০ হাজার লিটার এরাবিয়ান কফি, ৩ লক্ষ পিছ রুটি, ৫০ হাজার প্যাকেট দই, ৫০ হাজার দুধের মিনি বতল, ৫০ হাজার জুসের বতল এবং ৪০ টন খেজুর!
এছাড়াও মদিনার স্থানীয় মানুষেরা যার যার বাড়ী থেকে নিজেদের গাছের খেজুর ও নানা ধরনের খাবার নিয়ে এসে সেখানে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের উমরাহ পালনকারী রোজাদার দের মাঝে বিতরন করেন।
ইফতারের ১৫ মিনিটের মধ্যেই সেখানের সকল কিছু একেবারে ধুয়ে মুছে ক্লিন করে ফেলা হয় অত্যাধুনিক মেশিনের মাধ্যমে!
উপরে ছবিতে মদিনার গভর্নর আমীর ফায়সাল বিন সালমান কে দেখা যাচ্ছে ইফতারের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায়।
 — atDammam City, KINGDOM OF SAUDI ARABIA.
Like · Share

গতকাল খাদেমুল হারামাইন আশ শারিফাইন সাউদি বাদশা সালমান বিন আব্দুল আযিয (হাফেযাহুমাল্লাহ) মদিনা মসজিদে নববী জিয়ারতে যান, অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন কাবার সম্মানিত ইমাম আব্দুর রাহমান আস সুদাইসি (হাফেযাহুমাল্লাহ)।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর কবরের পাশে যদি,
বাংলাদেশের মত কথিত অলী-আওলিয়া দের মাজার নামক কবরের পাশে যেভাবে দান বাক্স রাখা হয়, সেভাবে যদি এখানেও রাখা হত, তাহলে আমার মনে হয় যা টাকা উঠতো তা দিয়ে সাউদি সরকার তার দেশের বাজেট প্রনয়ন করতে পারতো! কিন্তু, ধর্মের নামে ব্যবসার লাইসেন্স সাউদি আরবে নেই! — at Dammam City, KINGDOM OF SAUDI ARABIA.
Like · Share
  • Talha KhaledAbu Anas and 381 others like this.
  • Muhammad Aslam Uddin dan box bussiness korle budjet korle Allah tokon rag korten
    Like · 23 hrs
  • Talha Khaled আমীর নায়েফ বিন আব্দুল আজিজ(রহঃ) আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে মাদিনায় পৌঁছে মাসজিদুল-হারাম আন-নববীতে সালাত আদায় করেছেন কাবার ইমাম আব্দুর রাহমান আস সুদাইসির বায়ে যুবরাজ প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন নায়েফ বিন আবদুল আজিজ এবং তার হাতের ডানে উপ-যুবরাজ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ।
    প্রতি বছর এই পুরস্কার নবীজির সুন্নাহ এবং সমসাময়িক বিষয়ে ইসলামিক গবেষণায় অংশগ্রহণ কারীদের দেয়া হয়।
    Like · 12 · 23 hrs · Edited
  • Borhan Uddin Foyez শাইখ সুদাইস দেখি নাভির মধ্যে হাত বাধে
    Like · 4 · 22 hrs
    • Abdullah Bin Abdur Razzaq সৌদী আরবে বুকে হাত বাধা পায়ের সাথে পা মিলানো এবং শেষ বৈঠকে ডান পায়ের নিচ দিয়ে বাম পা বের করে দেয়া এই কয়টি আমলের বিষয়ে প্রচুর অবহেলা দেখেছি।
      Like · 4 · 22 hrs · Edited
    • Borhan Uddin Foyez আব্দুল্লাহ ভাই,আমার একটা প্রস্ন যে,পায়ের সাথে পা মিলাতে গিয়ে দু'পায়ের মাঝে অতিরিক্ত অনাকাঙ্খিত অশোভনীয় ফাঁক সৃষ্টি করা কি ঠিক? এতে নামাজের সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
      Like · 4 · 21 hrs
    • আহমেদ সিপন সালাফী আবার কখনো দেখি বুকের উপর বাধেন,এই দুরখম নিতি কেনো উনার?
      Like · 1 · 10 hrs
  • Talha Khaled হুম বাধে।
    Like · 2 · 22 hrs
  • Ali HasanTaib হাফিজাহুমাল্লাহ।
    Like · 21 hrs
  • Like · 18 hrs
  • Motaleb Chaiyal sundor Bolechen.....
    Like · 18 hrs
  • Biplob Dewan বাঙালী জাতীর মাঝে যদি কোন নাবী'র সমাধি থাকতো তাহলে কি যে হতো তা একমাত্র অাল্লাহই ভাল জানেন,,,
    Like · 3 · 15 hrs
  • Faruk Hossain Bin Siraj মাশা-আল্লাহ
    Like · 1 · 9 hrs


29 mins · Edited · 
 

এবারের 'ফিতরা' কত ?
৬০ টাকা থেকে ১৬৬০ টাকা নাকি অন্য কিছু ! 
প্রতিবারই রামাদান এলে মানুষের প্রশ্ন থাকে এবারের ফিতরা কত ? অথচ আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) ১৪০০ বছর আগেই এর পরিমান নির্ধারণ করে গেছেন ! যারা সুন্নাহর অনুসরন করে ফিতরা আদায় করে থাকেন তাঁরা কখনো উক্ত প্রশ্নটি তুলেন না যে এবারের ফিতরা কত ! যারা সুন্নাহর অনুসরন বাদ দিয়ে দ্রব্য মূল্য দিয়ে তথা টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করেন তারাই মূলত প্রতিবছর এই সময় এলেই প্রশ্ন করেন এবারের ফিতরা কত !
ছাদাক্বাতুল ফিতর বা আমরা যেটিকে ফিতরা বলি তা, মুসলমান নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, সকলের জন্য আদায় করা ফরয। এ মর্মে হাদীছে এসেছে,
ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় উম্মতের ক্রীতদাস ও স্বাধীন, নারী ও পুরুষ, ছোট ও বড় সকলের উপর মাথা পিছু এক ছা‘ পরিমাণ খেজুর বা যব যাকাতুল ফিৎর হিসাবে ফরয করেছেন এবং তা ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পূর্বেই আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন’।
{ বুখারী-মুসলিম, মিশকাত হা/১৮১৫}
উক্ত হাদিছ দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, ফিতরা আদায় করতে হবে খাদ্যদ্রব্য দ্বারা, খাদ্যের মূল্য বা টাকা পয়সা নগত অর্থ ফিতরা গ্রহণকারীর হাতে সরাসরি উঠিয়ে দিয়ে নয় ! আর তা আদায় করতে হবে প্রত্যেকের জন্য মাথাপিছু এক ছা‘ খাদ্যশস্য , ‘ছা’ হচ্ছে তৎকালীন সময়ের এক ধরনের ওযন করার পাত্র। নবী করীম (ছাঃ)-এর যুগের ছা‘ হিসাবে এক ছা‘-তে সবচেয়ে ভাল গম ২ কেজি ৪০ গ্রাম হয়। বিভিন্ন ফসলের ছা‘ ওযন হিসাবে বিভিন্ন হয়। এক ছা‘ চাউল প্রায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম হয়। তবে ওযন হিসাবে এক ছা‘ গম, যব, ভুট্টা, খেজুর ইত্যাদি ২ কেজি ২২৫ গ্রামের বেশী এদিক সেদিক হয়ে থাকে। সতর্কতা হিসেবে অনেকে ৩ কেজি নির্ধারন করতে বলেন।
প্রত্যেক দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ফিৎরা আদায় করবে। মানে যে দেশের মানুষের যেটা প্রধান খাদ্যদ্রব্য সেটা দিয়েই ফিতরা আদায় করবে। আমাদের এই কৃষি প্রধান দেশে প্রধান খাদ্য (طعام) চাউল। সেকারণ চাউল দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় করাই উত্তম। খাদ্যশস্যের মূল্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর প্রদানের স্বপক্ষে কুরআন-হাদীছে স্পষ্ট কোন দলীল নেই। সুতরাং মুদ্রা দিয়ে ফিৎরা আদায় করা সুন্নাহর বিরোধী কাজ। 
খাদ্যশস্য ব্যতীত অর্থ কিংবা দীনার-দিরহাম দিয়ে ফিৎরা আদায় করেছেন মর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের কোন আমল পাওয়া যায় না। তাছাড়াও রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পূর্ব যুগ হ’তেই মক্কা-মদীনায় দিরহাম-দীনার প্রভৃতি মুদ্রার প্রচলন ছিল। কিন্তু তিনি এক ছা‘ খাদ্যশস্যের মূল্য হিসাবে দিরহাম প্রদানের নির্দেশ দেননি। বরং খাদ্যশস্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় ওয়াজিব করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ !!! সৌদি আরাবিয়াতে এই সুন্নাতি আমলের প্রতি লক্ষ্য রেখে সৌদি নাগরিকেরা এখনো খাদ্যদ্রব্য দিয়েই ফিতরা দিয়ে থাকে, রামাদানের শেষের দিকে দেখা যায় প্রতিটি রাস্তার মোড়ে মার্কেটের মোড়ে মোড়ে ফিতরার চাউলের ৫/১০/২০ কেজি বস্তা স্তূপ করে রাখা হয়, ফিতরা আদায়কারী ব্যক্তিরা তা এসে কিনে নিয়ে যায়।
 — at Dammam City, KINGDOM OF SAUDI ARABIA.
Like · Share

25 mins · Edited · 
 

এবারের 'ফিতরা' কত ?
৬০ টাকা থেকে ১৬৬০ টাকা নাকি অন্য কিছু ! 
প্রতিবারই রামাদান এলে মানুষের প্রশ্ন থাকে এবারের ফিতরা কত ? অথচ আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) ১৪০০ বছর আগেই এর পরিমান নির্ধারণ করে গেছেন ! যারা সুন্নাহর অনুসরন করে ফিতরা আদায় করে থাকেন তাঁরা কখনো উক্ত প্রশ্নটি তুলেন না যে এবারের ফিতরা কত ! যারা সুন্নাহর অনুসরন বাদ দিয়ে দ্রব্য মূল্য দিয়ে তথা টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করেন তারাই মূলত প্রতিবছর এই সময় এলেই প্রশ্ন করেন এবারের ফিতরা কত !
ছাদাক্বাতুল ফিতর বা আমরা যেটিকে ফিতরা বলি তা, মুসলমান নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, সকলের জন্য আদায় করা ফরয। এ মর্মে হাদীছে এসেছে,
ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় উম্মতের ক্রীতদাস ও স্বাধীন, নারী ও পুরুষ, ছোট ও বড় সকলের উপর মাথা পিছু এক ছা‘ পরিমাণ খেজুর বা যব যাকাতুল ফিৎর হিসাবে ফরয করেছেন এবং তা ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পূর্বেই আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন’।
{ বুখারী-মুসলিম, মিশকাত হা/১৮১৫}
উক্ত হাদিছ দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, ফিতরা আদায় করতে হবে খাদ্যদ্রব্য দ্বারা, খাদ্যের মূল্য বা টাকা পয়সা নগত অর্থ ফিতরা গ্রহণকারীর হাতে সরাসরি উঠিয়ে দিয়ে নয় ! আর তা আদায় করতে হবে প্রত্যেকের জন্য মাথাপিছু এক ছা‘ খাদ্যশস্য , ‘ছা’ হচ্ছে তৎকালীন সময়ের এক ধরনের ওযন করার পাত্র। নবী করীম (ছাঃ)-এর যুগের ছা‘ হিসাবে এক ছা‘-তে সবচেয়ে ভাল গম ২ কেজি ৪০ গ্রাম হয়। বিভিন্ন ফসলের ছা‘ ওযন হিসাবে বিভিন্ন হয়। এক ছা‘ চাউল প্রায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম হয়। তবে ওযন হিসাবে এক ছা‘ গম, যব, ভুট্টা, খেজুর ইত্যাদি ২ কেজি ২২৫ গ্রামের বেশী এদিক সেদিক হয়ে থাকে। সতর্কতা হিসেবে অনেকে ৩ কেজি নির্ধারন করতে বলেন।
প্রত্যেক দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ফিৎরা আদায় করবে। মানে যে দেশের মানুষের যেটা প্রধান খাদ্যদ্রব্য সেটা দিয়েই ফিতরা আদায় করবে। আমাদের এই কৃষি প্রধান দেশে প্রধান খাদ্য (طعام) চাউল। সেকারণ চাউল দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় করাই উত্তম। খাদ্যশস্যের মূল্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর প্রদানের স্বপক্ষে কুরআন-হাদীছে স্পষ্ট কোন দলীল নেই। সুতরাং মুদ্রা দিয়ে ফিৎরা আদায় করা সুন্নাহর বিরোধী কাজ। 
খাদ্যশস্য ব্যতীত অর্থ কিংবা দীনার-দিরহাম দিয়ে ফিৎরা আদায় করেছেন মর্মে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের কোন আমল পাওয়া যায় না। তাছাড়াও রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পূর্ব যুগ হ’তেই মক্কা-মদীনায় দিরহাম-দীনার প্রভৃতি মুদ্রার প্রচলন ছিল। কিন্তু তিনি এক ছা‘ খাদ্যশস্যের মূল্য হিসাবে দিরহাম প্রদানের নির্দেশ দেননি। বরং খাদ্যশস্য দিয়ে ছাদাক্বাতুল ফিতর আদায় ওয়াজিব করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ !!! সৌদি আরাবিয়াতে এই সুন্নাতি আমলের প্রতি লক্ষ্য রেখে সৌদি নাগরিকেরা এখনো খাদ্যদ্রব্য দিয়েই ফিতরা দিয়ে থাকে, রামাদানের শেষের দিকে দেখা যায় প্রতিটি রাস্তার মোড়ে মার্কেটের মোড়ে মোড়ে ফিতরার চাউলের ৫/১০/২০ কেজি বস্তা স্তূপ করে রাখা হয়, ফিতরা আদায়কারী ব্যক্তিরা তা এসে কিনে নিয়ে যায়।
 — at Dammam City, KINGDOM OF SAUDI ARABIA.
Like · Share